বিশাখাপট্টনম টেস্টে ৮ উইকেটে ৩৮৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ চতুর্থ দিনের খেলায় ষষ্ঠ ওভারে কেশব মহারাজকে তুলে নেন রবিচন্দ্র অশ্বিন। তার আগেই অবশ্য পরিসংখ্যানের একটি জায়গায় বাংলাদেশের পেছনে ফেলেছেন দুজন। দলীয় ৩৯৬ রানে ভেঙেছে তাদের অষ্টম উইকেট জুটি।

শেষ উইকেটে ৩৫ রানের জুটি গড়ে প্রোটিয়াদের সংগ্রহটা সাড়ে ৪০০ ছুঁইছুঁই জায়গায় নিয়ে যান মুথুস্যামি ও রাবাদা। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ৪৩১ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় ৭১ রানের লিড পেল ভারত। তবে স্বাগতিকদের ৫০২ রানের চাপ মাথায় নিয়ে সফরকারি দল যেভাবে লড়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

সে কথায় আসার আগে রবিচন্দ্র অশ্বিনের কথা বলা যাক। এ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই এক ইনিংসে ৭ উইকেট নিলেন এ স্পিনার, যার মধ্যে রয়েছে ক্যারিয়ারে ২৭তম বারের মতো এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার গৌরব। দুর্দান্ত বোলিংই করেছেন অশ্বিন। তাঁকে যথাসম্ভব সামলে প্রোটিয়ারা যে সংগ্রহ পেয়েছে, তাতে দুই বছর আগে বাংলাদেশ ম্যাচের প্রসঙ্গ উঠে আসে। টস হেরে আগে ফিল্ডিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। হায়দরাবাদের উপ্পলে সেই টেস্টে ৬ উইকেটে ৬৮৭ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল ভারত। রানপাহাড়ে চাপা পড়ে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে ৩৮৮ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।

ভারত সে টেস্টে ২০৮ রানে জিতেছিল। তবে বাংলাদেশ দলের সে ইনিংসটি গত ৭ বছরের মধ্যে একটি জায়গায় আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল ভারতের মাটিতে। ২০১৩ সাল থেকে সেখানে টস হেরে সফরকারি কোনো দলের এটাই ছিল সর্বোচ্চ সংগ্রহ। প্রোটিয়ারা আজ বাংলাদেশ দলের সে ইনিংসকে ঠেলে দিল দুইয়ে। এই অর্ধ যুগের বেশি সময়ের মধ্যে ভারতের মাটিতে টস হেরে কোনো সফরকারী দলের এটাই প্রথম চারশোর্ধ্ব সংগ্রহ। তা সম্ভব হয়েছে ডিন এলগার ও কুইন্টন ডি ককের লড়াকু সেঞ্চুরি আর শেষে মুথুস্যামি-রাবাদার প্রতিরোধের জন্য।