রোমান সানা
রোমান সানা
Advertisements

ওয়ার্ল্ড আর্চারি ফেডারেশন গত রোববার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বর্ষসেরা আর্চারের নাম ঘোষণা করে। গত বছরের বর্ষসেরা আর্চারির দুই ক্যাটাগরি সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন রোমান। রিকার্ভ পুরুষ এককে ছিলেন সংক্ষিপ্ত পাঁচ জনের তালিকায় আর ব্রেকথ্রু ক্যাটাগরির ছয় জনের তালিকায়।

নেদারল্যান্ডসে ওয়ার্ল্ড আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে সেমি-ফাইনালে উঠে বাংলাদেশকে সরাসরি ২০২০ সালের অলিম্পিকে খেলার টিকেট এনে দেন রোমান।

রিকার্ভ পুরুষ এককে সেরা না হলেও হতাশা নেই রোমানের। যেকোনো ক্যাটাগরিতে বর্ষসেরার স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি।

“এটা আমার জন্য এত বড় একটা পাওয়া, যেটা আমি নিজেও বিশ্বাস করতে পারছি না। কখনও ভাবিনি এ সম্মান অর্জন করতে পারব। এটা না পেলেও আমার দুঃখ ছিল না। কেননা, যখনই মনোনীত হয়েছিলাম, তখনই ভেবেছিলাম এই মনোনয়ন পাওয়া আমার জন্য বড় পাওয়া।”

“সামনের পথচলা এখন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেল। সামনে অলিম্পিক আছে। আশা করি, আমি যেন আমার পারফম্যান্স ধরে রাখতে পারি। সেখানে বাংলাদেশকে যেন ভালো কিছু উপহার দিতে পারি।”

“কোনো স্বীকৃতি চাপ তৈরি করে না। আমি সবসময় আমি নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করি। বাকিটা আল্লাহ সহায়। আমি আমার চেষ্টা করতে পারি, সেটাই করি। আমি বিশ্বাস করি, কঠোর পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না। তবে, অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমও ব্যর্থ হয়ে যায়, ভাগ্য সহায় না হলে।”

গত দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে দশ ইভেন্টের সবগুলোতেই সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ। রোমান জিতেছিলেন তিন ইভেন্টে। বর্ষসেরার স্বীকৃতি নতুনদের আর্চারিতে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করেন রোমান।

“একসময় আর্চারিতে ২০-৩০ জন খেলোয়াড় ছিল। এখন কিন্তু বদলেছে। ট্রায়ালেও অনেক ছেলে-মেয়ে হাজির হয়। এখন অনেকে আর্চারিতে আসতে চায়।”

বাংলাদেশের আর্চারির সাফল্যের নেপথ্যের কারিগর জার্মান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিখ পেয়েছেন বর্ষসেরা কোচের স্বীকৃতি।

Facebook Comments