২০৭ রানের পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। ইনিংসের তৃতীয় বলেই প্রথম আঘাত হানেন রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই মেহেদী মারুফের (০) উইকেট হারায় ঢাকা। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন ম্যাশ। পরের ওভারে এসেই জো ড্যানলিকে (০) নাহিদুল ইসলামের তালুবন্দি করেন সোহাগ গাজী। ফিরতি ওভারে এসেই ভয়ংকর ওপেনার এভিন লুইসকে (১৫) মাশরাফির অসাধারণ এক ক্যাচে পরিণত করেন গাজী।

১৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকে ঢাকার দূর্গে চতুর্থ আঘাত হানেন পেসার রুবেল হোসেন। তার বলে ক্রিস গেইলের তালুবন্দি হন তার স্বদেশী বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান কায়রন পোলার্ড (৫)। একপ্রান্ত আগলে লড়াইয়ের চেষ্টা করছিলেন অধিনায়ক সাকিব। নাজমুল ইসলামের বলে শেষ হয় তার ১৬ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ২৬ রানের ইনিংস।

রংপুরকে ৬ষ্ঠ সাফল্য এনে দেন টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ আল-রাউন্ড পারফর্মেনস দেখানো ইংলিশ অল-রাউন্ডার রবি বোপারা। তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনকে (১) পরিস্কার বোল্ড করে দেন তিনি। ঢাকার শেষ ভরসা ছিল পাকিস্তানি হার্ডহিটার শহিদ আফ্রিদি। কিন্তু না! ১ ছক্কায় মাত্র ৮ রান করা আফ্রিদি নাজমুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হতেই উল্লাস শুরু হয় রংপুর শিবিরে।