বাংলাদেশের দেওয়া ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে নামিবিয়া। দলীয় আট রানে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। একই রানে দ্বিতীয় উইকেটও হারায় তারা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে তারা উইকেট হারাতে থাকে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন ইভেন ভান ওয়েক। এ ছাড়া নিকোল লফটি ইয়াটন করেন ২৪ রান ও ১১ রান করেন পেটরাস বার্গার।

বাংলাদেশের হয়ে কাজী অনীক ও হাসান মাহমুদ দুটি করে উইকেট পান। এ ছাড়া তৌহিদ হৃদয় পেয়েছেন একটি উইকেট। বাংলাদেশশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও ঝড়ো বোলিংয়ে ২০ ওভারে মাত্র ১০৩ রানেই নামিবিয়ার ইনিংস শেষ হয়ে যায়।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র চার উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান সংগ্রহ করে।

বার্ট সুটক্লিফের ম্যাচে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাইফ ও মোহাম্মদ নাঈমের ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরিতে নামিবিয়ার সামনে লক্ষ্যটা বেশ কঠিনই দাঁড়ায়। ওপেনার পিনাক ঘোষ বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে না পারলেও মাত্র ১৮ বলে ২৬ রানের একটি ঝরঝরে ইনিংস খেলেন তিনি। এর পরই দাঁড়িয়ে যায় নাঈম-সাইফ জুটি। দুজনের ব্যাট থেকেই আসে হাফসেঞ্চুরি। ৯৭ রানের জুটিও গড়েন তারা।

আউট হওয়ার আগে নাঈম ৪৩ বলে ৬০ রান করেন, যেখানে ছিল আটটি চার ও একটি ছক্কা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে অধিনায়ক সাইফ খেলেছেন ৮৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। ৪৮ বলের ইনিংসে তিনি খেলেছেন তিনটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। এ ছাড়া আফিফ হোসেন করেন ১১ রান। নামিবিয়ার বিপক্ষে ৮৭ রানের বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপযাত্রা শুরু বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের।